Storybd.com

একটি বাংলা গল্পের সাইট

মর্জিনার আকুতি প্রকৃতির কাছে

কেউ খুজে পথের দিশা আমি খুঁজি মা,ও আকাশ বলে দাও, ঐ কুড়ে ঘরে হবে কি আমার একটু ঠাই ? বেশতো ছিলাম প্রাসাদ নামক অট্টালিকায় কি বা পেলাম ? দুঃখ বিনা সুখ মিলেনি কখনো,তাই তো কুড়ে ঘরকে করে নিলাম আপন ঘর । সে যে আমার নিকট অনেক বড়, বড় থেকে আর বড় যা অনুভব করি । আমি মর্জিনা ছোট বেলায় মাকে হারিয়েছি। ঘররে ঘর তুই কি শুধুই ঘর, নাকি মায়ে স্মৃতি ? সেই ছোট বেলার মধু মাখা মায়ের হাসি আজও আমায় কাদায়। মাগো মা তোমার কি ঐ ঘরেতেই বসত ছিল ? দেখার সৌভাগ্য হয়নি। তুমি দেখতে কি রকম ছিলে ? একটু শ্যামবর্ণ, নাকি খুব বেশি কালো ? ও পৃথিবী বলে দাও আমার মায়ের গায়ের রং। মা মানে কি ? এই নামে কি স্বাদ লুকিয়ে আছে, বলে কি দিবে? যাদের মা আছে শুনি তোমাদের নিকট, জানি ফুরাবেনা কখনো এর স্বাদ, তবু শান্তনা খুঁজি।
ভাবছি আমি জীবনের কোন দিকে পা বাড়াবো। একা একা পথ চলা কোন পথে চলি ? দিন যায় রাত আসে সময় যে ফুড়ায় না। জীবনরে তুই কেন এত বড়, ছোট নিঃশ্বাসে? আমি মর্জিনা কি করে?কেমনে সাজাই জীবনের তরী, কোন ভেলায় করে মাগো তুই বলে কি দিবি ? আমি মর্জিনা মরা গাছে ফূল ফুটাবো ভালোবাসার আবির ভাবে,এটা আমার আকুতি পৃথিবীর প্রকৃতির কাছে। চলতে চলতে কোন এক সময়ে ক্লান্ত পথে সঙ্গী হউ মাগো,এই বিশ্বাসে বাইবো জীবনের তরী। ঐ লাল সূর্যের হাতছানিতে জেগে উঠো মাটির বুকে সবুজ দূর্বা ঘাসে। মর্জিনার  বুকে ব্যথা জুড়াবে আহত ব্যথিত  হৃদয় জুড়ে কতনা আহাজারি অসহায় এই জীবন বয়ে বেড়ায়,মাঝে মাঝে আকাশের সাথে কথা বলি, মাটিরে মাটি তুই সইলি কি করে ? তুই যে আমার মা। মা মাটির দেশ আমার সোনার বাংলাদেশ বলছিস সবে জয় বাংলা কাদের কারনে জানিস কি ? শত কোটি মা বোনের সম্নানে গ্লানি মুছে দিয়েছে কে? মনে কী পড়ে,ওদের আহাজারি শব্দের ধ্বনি,কেপে উঠতো পুরোটা পৃথিবী লজ্জায় মুখ লুকাতো মেঘের কোলে।কত না নদী-নালা খাল- বিল লাশের গন্ধে শত শকুনের ছড়া ছরি চিল উড়ে আকাশ জুড়ে ,মা বোন শিশুদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠতো প্রকৃতি । একদিন মনের কষ্টে এক পথ চারীকে মর্জিনা  বলে, তুমি কি আমার বাবা হবে?কেন গো মা? মর্জিনা বলে : বাবা নেই বলে,আমায় একটু আদর করে দাও?ওনি মায়া মায়া চোখে মাথায় হাত বলিয়ে দেয়, কিছুক্ষনের জন্য শান্তনা খুজে পাই, বাবা বলছে : আসি মা,মর্জিনার মনের ভাবনাটা এমন ছিল বড় কিছু হারিয়ে ফেলেছে।ওনি ভাবে নিজেকে নিয়ে,শেষ বেলায় কি হবে ও কি তবে আমার মেয়ে হবে।ওর আমার জীবনে শেষ সময় গুলো ভালোই কাটবে। বাবা ভাবে দিন থেমে থাকে না চলে যায় স্রোতের মতো সময় ফুড়িয়ে জীবন থেকে। মর্জিনার কাছে বলছে; তোর জীবনের সাথে আমায় বেধেনে।শেষ বয়সটা তোর সাথে কাটিয়ে দিবো।মর্জিনা বলে বেশতো আমি ও এমনি চেয়েছিলাম,কি ভাবে সংসার চলে নৌকা পাড়া পার করে?তোর বাড়ি কোথায় কেনো ঐ তো কুড়ে ঘরে মাটি দিয়ে গড়া।রাজ প্রসাদের অহংকারে নয়। কেনরে মর্জিনা ! বাবা তুমি পৃথিবীর নিষ্ঠুরতা দেখোনি। বাবা বলে এই বয়সে কিবা চাইবার আছে জীবনের কাছে? অভিমানে মর্জিনা বলছে – মা তুমি কোথায় শুনতে কি পাও আমার ডাক? প্রকৃতিকে জিজ্ঞাসা করে ছিলাম,আমার মা কোথায় বলতে কি পারিস? প্রকৃতি হেলে দুলে বলে না গো না,মা গো মা জগত জুড়ে হয় না তোমার তুলনা,কেন ডেকে নাও নি আচঁল পেতে, মা হাসতে কি মুচকি করে? তুমি কি শুধুই মা নাকি ভোরের সকাল ছিলে,দুপুর হওয়ার আগে চলে গেলে বিকেল হতে একটু ছিল বাকি? না হয় করতে একটু দেরি।তবে তোকে দেখতে পেতাম।মা মানে বেদনার হাতছানি শান্তনা মিলে বলে, মর্জিনা অবশেষে বলছে,বাবাগো শুনো, তুমি আমার যে কল্পনা নয়।সত্যিই তুমি আমার বাবা, তোমার মাঝে সান্তনা খুঁজি।
মাকে হারিয়েছি যুদ্ধে তাই এই গল্পের সৃষ্টি…………
মর্জিনাকে ওর বাবা জিজ্ঞেস করছে বড় হয়ে কী হবে? ইচ্ছে ছিল এই গ্রামে একটি হাসপাতাল বানাতে।যদি সামর্থ্য থাকতো তা করতাম। বাবা বলে উদ্দ্যশতো ভালোই ছিল।মর্জিনা বলে আচ্ছা বাবা, তুমি কি যুদ্ধো দেখেছো হ্যাঁরে মা যুদ্ধো দেখে নি শুধু, যুদ্ধো করেছিও। মর্জিনা বলে আমার মাকে দেখে ছিলে বাবা বলে ও আমার মানিক তোর মনে এতো বেদনা,কি করে গুছিয়ে দিবো? ঘুরে ফিরে মর্জিনা বলে আমায় একটি মা এনে দিবে?একটু ধরে দেখতাম মায়ের অনুভূতি,মাগো আমার ভোর শুরু হয় তোর নামে। সকালের পাখি ডেকে বলে, মর্জিনারে,তোর মা হয়তো একদিন দেখা দিবে বাস্তবে না হোক স্বপ্নের মাঝে। পাখিরে মিথ্যে শান্তনা দিস না।আমি কখনো খমা করবো না ঐ নর পশুদের।এক একটি কষ্টের জবাব দিতাম যদি আমি বুঝতে শিখতাম।কেড়ে নিয়েছে আমার সোনালী শৈশব।দমকা হাওয়া এসে ঘূ্র্নী ঝরের মতো এলোমেলো করে দেয় আমার জীবন। কি দোষ ছিল?এই ভাগ্য নিয়ে জন্মাতে হলো
।।সময় গরিয়ে আমি আজকে মর্জিনা।।
শিশুকাল পার করে কিশোরী বয়সে পা ফেলেছি।তাই তো ভাবছি দ্বিধা  পেড়িয়ে অনাত নামটি আমার জীবন থেকে মুছে ফেলবো। আজ বাবা যদি বেঁচে থাকতো দুঃখ পুসে রাখতে হতো না।মর্জিনা বলে বাবাগো শুনেছি বড় হতে বুদ্ধিই যথেষ্ট সাথে কর্ম। এই ঘর থাকবে আমার আপন ঘর, ভুলে কি করে? আমি যে একজন যোদ্ধার মেয়ে, স্বাধীন আমি পরাধীন নয়। ভুলে যেতে চাই না স্বাধীনতার নাম। মাঝে মাঝে মনের অজানতে ভাবি বাবা কি ঐ রেল লাইনের উপর পড়েছিল লাল রক্ত মাখা লাশ হয়ে, মাটির কোলে ঘাসের বুকে, মর্জিনা বুদ্ধিমুতি ও সাহসি হয়ে উঠে,ভাবছে কি করবে? জীবনরে জীবন, তোর কেন এতো ধরণ,নিজেকে বদলাববো কি দিয়ে? ছোট ছিলাম ভালো ছিলাম বুঝতে শিখেছি কেন? এখন যে না বুঝার ছলনা করতে পারিনা,বিবেক সাড়া দেয় সুপথে।জীবনের তরী ভাসাতে হবে অজানা পথে আপন টানে। আমাকে অন্য রুপে সাজতে হচ্ছে,এইতো পৃথিবীর নিয়ম।
।।নতুন পথে পা বাড়ালাম।।

প্রথম প্রহরের সূর্য বলে দাও আমার মায়ের নাম। আকাশ সেজেছে মেঘের ভেলায় তাতে বুঝে নেই মায়ের নাম ছিল মেঘ।মনের সান্তনায় হয়তো পড়েছিলে সাদা রঙ্গের শাড়ি , লাল রঙ্গের রেশমি চুরি পড়ার সৌভাগ্য নিয়ে জন্মাইনি তবে আজ আমি মর্জিনা হতাম না। ঐ মাটির বুকে কান পেতে আমি শুনি বারবার আমার মা গুমরিয়ে গুমরিয়ে কাঁদে, একি ভুলা যায়? মাগো মা, তুমি আছো আমার আত্নায়। বিসন্নতায় তুমি আমার পানে চেয়ে থাকো।অতৃপ্ত আত্না এসে আমায় বলে যায়, স্বাধীনতা আমার প্রাণের আক্রশ। এখন আর শ্রেষ্ট বিকেলের গল্প কেউ শোনায় না। মাগো তুমি কোথায়? বিবেক দিয়ে সততার ছবি আঁকবো আপস করবো না তোমার শ্মরণে। কিসের ভয়? আমি যে বলতে শিখেছি দুঃখ শুধু একটাই তোমার কোলে মাথা রেখে ঘুমোতে পাড়লাম না। মাগো মা, এতো অতিৎতের চাওয়া নয়, এখনো মন কাঁদে। প্রতিদিনের একটি পাখি আমায় ডেকে বলে যায়, শুনরে শুন তোর মার অতৃপ্ত আত্না এসে বলে যায়,’মা মর্জিনা হইও না উতলা ‘। মর্জিনার কষ্ট বলে শেষ হবার নয়। বয়সের সাথে সাথে সবকিছুর পরিবর্তন আসে।মর্জিনা থেমে নেই যুদ্ধ করছে জীবনের সাথে। বাস্তবতার সামনে দাড়িয়ে ”EMOTION” মিথ্যে। মা তোমার হয়নি মরণ, আজো বেঁচে আছো সবার আত্নায়।
।।তোমার চরনে আমি অনন্তকাল ।।

এখন আর মর্জিনা মায়ের কথা ভাবে না। নিজেকে বদলিয়ে
নিয়েছে,বাস্তবতার কাছে দাড়িয়ে আজ মর্জিনা কাঁদতে ভুলে গেছে। নিজের চেষ্টায় বড় হতে চাইছে কিন্তু বাবা মায়ের স্মৃতি ভুলে নয়। বেশ কষ্ট করে, বহু ত্যাগের বিনিময়ে আজ ও এখানে। যদিও পিছনের পথগুলো মাঝে মাঝে হাতছানি দিয়ে ডাকে। ও ভুলে নি,তা যে ভুলার না। মর্জিনা বলে, মাগো তোমায় শত শত স্যালুট। উদাস হয়ে তাকিয়ে থাকি? জীবন কী এখানে থেমে যাবে? নাকি ঘুড়ির নাটাইয়ের মতো হয়তো কোনো এক দিন ছিরে যাবে? রংধনুরে বলে দে, তোর কোন রংয়ে সাজবো? প্রকৃতির অনুভবে মিশে যাই মনের ভাবনায়। মাগো তুমি যদি থাকতে বুঝিয়ে দিতে কোন পথে চলবো। এতো জীবন না আগুনের লাভা, একটু ভুলের তরে জীবনে তরী ভেসে যাবে। তবে ছোট ছিলাম ভালোইতো ছিলাম,যাই হোক বাস্তব যে বড় নির্মম।ও বহু কষ্টের একটি কাজের খুঁজে পায় মহিমা স্যাল্স ম্যান হিসেবে।মর্জিনা বলছে, দেখবো জীবনের শেষ কোথায়। কষ্ট পুশে রাখবো না ঝেরে ফেলবো কর্মের সাফলতায়। মর্জিনা শহর মুখি হয়।মর্জিনা বলে, হাইরে পৃথিবী তোর রঙ্গে নিজেকে সাজিয়ে নিতে পারছি না, ক্ষনে ক্ষনে রঙ্গ বদলাস কি করে?
।।প্রকৃতি উত্তর দেয় এ যে সৃষ্টির নিয়মে বাঁধা।।

এই ভাবেই দিন যেতে থাকে। ওর বাবা আগে ছিল কাঠুরীয়া, আর ও ছিল নৌকা পাড়া পাড়ের মাঝি,আস্তে আস্তে দুজনেরর ভাগ্য খুলে,কিন্তু জীবন যে বড় কষ্টের। একেকটা মুহূর্ত কাটতে চায় না । কাজের পাশাপাশি ছোট – খাট একটি বিদ্যালয়ের কাজ শুরু করে টুকাইদের নিয়ে। মর্জিনার বাবা খুশি হন এই পাঠ্যশালা করার জন্য। একদিন ওদের বলছে, কষ্ট করতে শিখবে দুঃখ হবে দূর সুখ মিলবে অচিরে। তোদের মতো আমিও তো ছিলাম অনাত, আজ গুছিয়ে নিয়েছি নিজেকে। তোদের শেষ কোথায়? টুকাই বলে, পৃথিবী যত দিন বেঁচে আছে। মর্জিনা বলে, শুকনো পাতার মতো তোদের জীবন। জীবনেরে ,কেনো সময়ের আল্পনার তুলিতে আকঁতে হয়,তুই আসতে আসতে বেলা চলে যায়। কেনোরে তুই এতো ছোট? তোকে বাইবার তরী খুঁজে পাই না।তোর চেয়ে ছোট নিশ্বাস, এর মাঝে জীবন নামক প্রাণটা। হাইরে প্রকৃতি, শহরের ইট পথরের ভিরে হারিয়ে ফেলেছি ছোটকালের স্মৃতি।তোর মাঝে এখন আর খুঁজে পাই না ঐ রাখালের বাঁশির সুর।
।।মর্জিনা বলে,সময়ের কাছে দাবি কেন আর যুদ্ধ যুদ্ধ জীবন।।
মর্জিনা প্রতিদিন একটি পাখির সাথে কথা বলতো। ওরে পাখি কোথায় ছিলি? আমি যে তোর নিশ্বাসে বেঁচে থাকি, তুই যে আমার কষ্ট বুঝিস। অচিন পাখি বলে উঠে, আমিও তোমার মাঝে সান্তনা খুঁজে পাই।থাকবে না এই আঁধার অচিরে দুঃখ গুছাবে। পাখিরে,তাই তো তোকে ঘিরে হয় আমার ভোর। আসেনা যেন ভাঁটা, উজানে ধরেছি পাল । মনরে মন,তুই বলিস কতো অজানা কথা। এমনি সময় বলছে,আমাদের কষ্টের কথা শুনবে? কত রাত না খেয়ে থেকেছি দিনে কুড়িয়ে খেতাম, রাত হলে ক্লান্ত শরীরে রাস্তায় ঘুমিয়ে পরতাম। মর্জিনা বলছে, তোরা বলেছিস বাস্তবতার কথা। কিছু ক্ষনের জন্য হারিয়ে গিয়ে ছিলাম বহু দূরে যেখানে হিসেব কসে দিন কাটে না অনুভবে রাত আসে। চল তোদেরকে নিয়ে আজ সময় কাটাই। ওরা বলছে,কেক খাইতে মন চাইতাছে। চল তোদের কেক কিনে দেই। ওরা প্রাণের উচ্ছিসে মেতে উঠে। তোরা কি বলে দিতে পারবি আমার বেদনার রং? ওরা বলে উঠে,কেন আপা? কালো রঙ্গের। মর্জিনা বলছে, বেশ বলেছিস!
।।তোদেরকে নিয়েই কাটবে আমার বাকিটা জীবন।।
জোছনারে বলে কী দিবি, আমার মনের ভাবনাগুলো? জোয়ার যেমন ভাঁটা আনে,ঢেউয়ের পর ঢেউ এসে বলে যায় এসেছে জোয়ার ,আমি কী পারবো ঐ বসন্ত ছুয়ে দেখতে।লম্বা কেশে জড়িয়ে নিতাম বেলীর মালা, আমার হাসির পিছনে লুকিয়ে রাখতাম নিজের চাওয়া পাওয়াগুলো, ঐ গৌধূলীকে অনুভব করে। ওরা বলছে আপা কী বলেন?তোরা বুঝবি না ৷ আমার মন পাখি কত কথা আনমনে বলে ৷ কি বলি তোদের সনে ।মর্জিনা বলছে শুনেছিস, আমার বাগানে বহু ফুল ফুটেছে।ওরা বলে, ফুলের গন্ধ শুখবো, নাকি বিক্রি করে কয়েকটা বনরুটি কিনে আনবো? মর্জিনা একটু লজ্জায় বলে,তোরা কী ক্ষুদার জ্বালা আমাকে শুনাচ্ছি ?আমি এর সাথে তোদের আগেই পরিচিত।ঠিক আছে যা গাড়ির সাহেবদের দিয়ে আয়। তোদের হয়তো কিছু পয়সা মিলবে। ওরা সবে বলে উঠে, সাহেবদের ভরবে মন আর আমাদের ভরবে পেট। ক্ষুধারে ক্ষুধা,তোর কেন এতো জ্বালা? মর্জিনা বলে,সৃষ্টিকর্তা ওদের প্রতি সহায় হও। ওদের প্রতিদিনের ভোর হয় রাত ফুরায় গাছ তলায় । ওরা বুঝে না রাত ভোর কাকে বলে? ওদের চাই শুধু এক মুঠো ভাত। ভাতরে ভাত, চাই না কারি কারি টাকা এক মুঠো ভাত হলে দিন কেটে যায় রাতের অপেক্ষায়।
।।আরেকটি দিন যেনো না আসে ।।

দিনের শেষ প্রহরে অতীত যেনো বার বার মনে করিয়ে দেয়। কিন্তু মর্জিনার মনে যে বয়সের ফুল ফোটে ভালোবাসা উঁকি দেয়। মর্জিনা বলছে, মেঘলা আকাশ বলে দাও আজো কী বাসন্তী ফুলের মালা কেউ পড়িয়ে দিবে? সেই বাসনায় বুক বাঁধি। জীবনরে জীবন, কোন এক দিন ঝরে যাবো ঝরা ফুলের মতো? নদীর তীর ঘেসে সাগরের মোহনায় আশাগুলো হারিয়ে কষ্টের ডানা মেলে। মিথ্যে আসায় হয়তোবা শুখিয়ে যাবে মনের কুলি ফুটবে না আজো। এখন আর কাদি না সুখিয়ে গেছে চোখের জল। ওরা বলছে,আপা তুমি দেখে নিও তোমার দুঃখ আমরা গুছিয়ে দিবো।মর্জিনা বলে তা আমি জানি। আজ তোমাকে বেশ সুন্দর লাগছে। মর্জিনা বলে, ঠিক বলেছিস নীল আকাশ ঢেকে নিয়েছে আমায় বাহারি ফুলে। তোদের দুটি চোখ বলে দেয় আমার মনের কত অজানা কথা। কি করে বুঝিস আমার মনের ভাষাগুলো।

।। মর্জিনা বলে,আজো পূরণ হবে কি মনের আশাগুলো।।

চলবে…………………………………

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Storybd.com © 2017
Powered By AhnafBD